শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

গর্তের পাশে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সাজিদের মায়ের দোয়া- আহাজারি, নেই সন্ধান

গর্তের পাশে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সাজিদের মায়ের দোয়া- আহাজারি, নেই সন্ধান

গর্তের পাশে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সাজিদের মায়ের দোয়া- আহাজারি, নেই সন্ধান

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। খননযন্ত্র দিয়ে মাটি খোঁড়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে গর্তে পড়ার পর থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হলেও বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত শিশুটির অবস্থান কিংবা শারিরীক অবস্থা জানতে পারেনি উদ্ধারকারীরা।

ঘটনাস্থলের পাশেই দুহাত তুলে খোদার আরশে প্রার্থনা করছিলেন শিশু সাজিদের মা। দোয়া আর আহাজারিতে পার হয়েছে পুরো রাত-সকাল। মেলেনি সন্তানের সন্ধান।
 
শিশু সাজিদকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস রাতভর খননযন্ত্র দিয়ে ৩৫ ফিট গভীর বড় গর্ত খনন করে। সকালে সেই গর্ত থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সাজিদ যে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে। তাতে শিশুটির অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি। পরে গভীর নলকূপের গর্তের পাশের মাটি সরানোসহ নানা কৌশলে শিশুটিকে উদ্ধার করার তৎপরতা করে।
 
আরও পড়ুন: রাজশাহীর পরিত্যক্ত রাজবাড়ি ভাঙার সময় দেখা মিলল সুড়ঙ্গের
 
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সর রাজশাহী সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম বলেন, শিশুটি যে গর্তে পড়ে গেছে তার পাশেই এস্কেভেটরের মাধ্যমে ৩৫ ফিট গভীর খনন করা হয়েছে। এখন ফায়ার সার্ভিসের রেসকিউ টিম খনন করা গর্ত থেকে সেই গর্তে সুড়ঙ্গ করছে। আমরা সুড়ঙ্গ করার পর ওই গর্তে যদি শিশুটিকে পাওয়া না যায় তাহলে আর খনন করা সম্ভব হবে না। তখন ওই গর্ত থেকেই অন্য কৌশলে শিশুটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করা হবে। তখন আর পাশে খনন করা সম্ভব হবে না। কারণ এই নলকূপের গভীরতা ১৫০ থেকে ২০০ ফুট। নলকূপের ভেতরে যেকোনো জায়গায় আটকে থাকার সম্ভাবনা আছে শিশুটির।
উদ্ধার তৎপরতায় ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও মেডিকেল টিম ও স্থানীয় প্রশাসন  উপস্থিত রয়েছেন। ভীড় করা শত শত উৎসুক মানুষ শিশুটির জন্য দোয়া প্রার্থনা করছেন।
 
গতকাল বুধবার দুপুর ১টা দিকে তানোরের কোয়েলহাট গ্রামের মাঠ দিয়ে মায়ের সাথে বাড়ির পাশে বিলে যাওয়ার সময় পিছন থেকে পরিত্যক্ত গভীর নকলকূপের গর্তে পড়ে যায় দুই বছরের শিশু সাজিদ। এরপর প্রথমে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। তারা ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে  রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে তিনটি ইউনিট এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
 
আরও পড়ুন: রাজশাহী নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে যা প্রয়োজন সব করা হবে: নতুন কমিশনার
 
প্রথমে চার্জ ভিশন ক্যামেরার মাধ্যমে গভীর নলকূপের গর্তে শিশুটির অবস্থান বোঝার চেষ্টা করলেও ৩৫ ফুট গভীরে শিশুটির অবস্থান না পাওয়ায় পাশেই এসকেভেটর দিয়ে রাতভর খনন কাজ করা হয়।