শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

তীশীতেরব্র মাঝেই ভয়াবহ বন্যার কবলে গাজার লাখ লাখ মানুষ

তীশীতেরব্র মাঝেই ভয়াবহ বন্যার কবলে গাজার লাখ লাখ মানুষ

তীশীতেরব্র  মাঝেই ভয়াবহ বন্যার কবলে গাজার লাখ লাখ মানুষ

তীব্র শীতের মাঝেই ভয়াবহ বন্যার কবলে গাজার লাখ লাখ মানুষ। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) মাঝরাত থেকে টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে উপত্যকার শরণার্থী শিবিরগুলো। এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়। 

যুদ্ধে সব হারিয়ে গাজার নুসেইরাতের এই শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন মাঝবয়সী ইউসুফ তাওতাহ। পরিবার নিয়ে পলিথিনের জীর্ণ তাঁবুতে কোনোমতে বাস করতেন তিনি। রাতভর বৃষ্টিতে সেই ঠাঁইটুকুও এখন আর বাসযোগ্য নেই।

টানা দু'বছরের ইসরায়েলি আগ্রাসনে ধূলোয় মিশে গেছে গাজা উপত্যকার বেশিরভাগ স্থাপণা। বাধ্য হয়ে প্লাস্টিক আর ছেড়া ত্রিপল দিয়ে তাঁবু টানিয়ে বাস করতো ১৫ লাখ গাজাবাসী। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাতভর টানা বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয় উপত্যকাজুড়ে। ভেঙে পড়েছে বেশকিছু তাঁবু।

পানিতে ভিজে একাকার শুকনো কাপড়, কম্বল আর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র। এছাড়াও নোংরা পানিতে নষ্ট হয়ে হয়ে গেছে মজুদ রাখা খাবারও। এ পরিস্থিতিতে ঠান্ডা আর পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিতে উপত্যকার শিশু আর বয়স্কসহ শত শত বাস্তুহারা পরিবার।

গাজা উপত্যকার সকল শরণার্থী শিবিরেই চোখে পড়ে এমন দুর্দশা। স্থানীয় পৌরসভা ও সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ চলাকালে বুলডোজারসহ পানি নিষ্কাশন ও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত শত শত যানবাহন ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি সেনারা। ফলে তাঁবুগুলো থেকে পানি অপসারণে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম বলছে, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় শরণার্থী শিবিরগুলোতে রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংস্থাটির অভিযোগ, জরুরিভিত্তিতে কাঠ, বালুর বস্তা এবং পানি নিষ্কাশনের পাম্পসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম প্রয়োজন হলেও তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল। অপরদিকে, দায় এড়াতে সংস্থাগুলোর অদক্ষতাকে দোষারোপ করছে ইসরায়েল।