কুষ্টিয়ার সদর ও দৌলতপুর উপজেলায় আলাদা দুটি স্থানে বজ্রপাতে দুজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামে দুপুর আড়াইটার দিকে কয়েকজন মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রাঘাতে চারজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দহকুলা কারিগরপাড়া গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে রওশন আলী ওরফে নুশু মারা যান।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একই গ্রামের হারেজ আলীর ছেলে সমেজ আলী ও রজব আলী এবং জোতপাড়া গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল। তারা কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে বাড়ির আঙিনায় কাজ করার সময় বজ্রপাতে আরজ আলী (২৮) নিহত হন। তিনি ওই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। বজ্রাঘাতের পর ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আকুল উদ্দিন জানান, বজ্রপাতে আহত একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। আহত কয়েকজন চিকিৎসাধীন। দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিনও বজ্রপাতে একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ জানান, দুপুরে দহকুলা গ্রামে বজ্রাঘাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
আক্তারুল ইসলাম, কুষ্টিয়া।