বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

হজ-ওমরাহযাত্রীর শিশুদের নিয়ে সুসংবাদ দিলো সৌদি

হজ-ওমরাহযাত্রীর শিশুদের নিয়ে সুসংবাদ দিলো সৌদি

হজ-ওমরাহযাত্রীর শিশুদের নিয়ে সুসংবাদ দিলো সৌদি

পবিত্র হজ এবং ওমরাহ মৌসুমে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র সৌদি আরব। মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে আগত শিশুদের জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ পরিচয়মূলক সেফটি ব্রেসলেট, যেখানে অভিভাবকদের যোগাযোগের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জেনারেল অথরিটি জানিয়েছে, মসজিদুল হারামে প্রবেশের সময় শিশুদের হাতে এই পরিচয় ব্রেসলেট পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোনো শিশু হারিয়ে গেলে বা ভিড়ের কারণে অভিভাবক থেকে বিচ্ছিন্ন হলে দ্রুত তাকে শনাক্ত করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

ব্রেসলেটটিতে শিশুর অভিভাবকের ফোন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় যোগাযোগের তথ্য যুক্ত থাকে। 

কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ, যার উদ্দেশ্য দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সহায়তা করা।

এই পরিচয় ব্রেসলেট মসজিদুল হারামের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে কিং আবদুল আজিজ গেট এবং কিং ফাহদ গেট বা ৭৯ নম্বর গেটে দায়িত্বে থাকা কর্মীরা অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে সহজেই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন।

ওমরাহ মৌসুম ও হজের মতো ব্যস্ত সময়ে মসজিদুল হারামে মুসল্লি ও দর্শনার্থীর সংখ্যা বহুগুণে বেড়ে যায়। এ সময় শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে অভিভাবকদের এই সেবা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে একদিকে অভিভাবকরা মানসিক স্বস্তি পাবেন, অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও উচ্চ মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হবে।