শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

বাবরি মসজিদ নির্মাণে অনুদান নিয়ে বড় জালিয়াতির অভিযোগ

বাবরি মসজিদ নির্মাণে অনুদান নিয়ে বড় জালিয়াতির অভিযোগ

বাবরি মসজিদ নির্মাণে অনুদান নিয়ে বড় জালিয়াতির অভিযোগ

পশ্চিমবঙ্গের বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য অনুদান সংগ্রহকে কেন্দ্র করে বড়সড় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। প্রতারকেরা মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত কিউআর কোড নকল করে সাধারণ মানুষের দেওয়া অনুদানের টাকা ভুয়ো অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বাবরি মসজিদ ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ মহম্মদ আমিনুল শেখ বহরমপুর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তাঁর দাবি অনুযায়ী, 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়া' নামে গঠিত ট্রাস্টের তথ্য ব্যবহার করে এই ভুয়ো কিউআর কোড তৈরি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এই নকল কিউআর কোড স্ক্যান করে অনুদান দিলে টাকা সরাসরি প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের পর ভরতপুরের বিধায়ক ও তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া হুমায়ুন কবীর মসজিদ নির্মাণের জন্য অনুদান সংগ্রহের আবেদন জানান। শিলান্যাস অনুষ্ঠানে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনে অনুদান দেওয়ার জন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

প্রতারণার বিষয়টি জানাজানি হতেই সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, হুমায়ুন কবীর এর আগেও এই মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। শিলান্যাসের সময় সৌদি আরব থেকে ধর্মগুরুদের আগমন এবং হায়দরাবাদ থেকে নিরাপত্তারক্ষী আনার দাবি ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। সেই সময় হুমায়ুন কবীর হতাশা প্রকাশ করে এটিকে তাঁর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করেছিলেন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অনুদান সংক্রান্ত এই প্রতারণার অভিযোগে তিনি ফের চাপে পড়লেন।