শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাবরি মসজিদ নির্মাণে অনুদান নিয়ে বড় জালিয়াতির অভিযোগ

বাবরি মসজিদ নির্মাণে অনুদান নিয়ে বড় জালিয়াতির অভিযোগ

বাবরি মসজিদ নির্মাণে অনুদান নিয়ে বড় জালিয়াতির অভিযোগ

পশ্চিমবঙ্গের বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য অনুদান সংগ্রহকে কেন্দ্র করে বড়সড় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। প্রতারকেরা মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত কিউআর কোড নকল করে সাধারণ মানুষের দেওয়া অনুদানের টাকা ভুয়ো অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বাবরি মসজিদ ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ মহম্মদ আমিনুল শেখ বহরমপুর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তাঁর দাবি অনুযায়ী, 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়া' নামে গঠিত ট্রাস্টের তথ্য ব্যবহার করে এই ভুয়ো কিউআর কোড তৈরি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এই নকল কিউআর কোড স্ক্যান করে অনুদান দিলে টাকা সরাসরি প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের পর ভরতপুরের বিধায়ক ও তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া হুমায়ুন কবীর মসজিদ নির্মাণের জন্য অনুদান সংগ্রহের আবেদন জানান। শিলান্যাস অনুষ্ঠানে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনে অনুদান দেওয়ার জন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

প্রতারণার বিষয়টি জানাজানি হতেই সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, হুমায়ুন কবীর এর আগেও এই মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। শিলান্যাসের সময় সৌদি আরব থেকে ধর্মগুরুদের আগমন এবং হায়দরাবাদ থেকে নিরাপত্তারক্ষী আনার দাবি ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। সেই সময় হুমায়ুন কবীর হতাশা প্রকাশ করে এটিকে তাঁর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করেছিলেন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অনুদান সংক্রান্ত এই প্রতারণার অভিযোগে তিনি ফের চাপে পড়লেন।