শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

কেন হয় ওভারথিংকিং জানুন সমাধান

কেন হয় ওভারথিংকিং জানুন সমাধান

কেন হয় ওভারথিংকিং জানুন সমাধান

চুপচাপ বসে আছেন, কাজ তেমন নেই, তবু মাথার ভেতর যেন চাপ লাগছে। কী হয়েছিল, কী হতে পারে, আর কী হলে ভালো হতো- এই তিনের মাঝখানেই আটকে যাচ্ছে ভাবনা। পরিচিত লাগছে তো? এটাকেই বলে বেশি ভাবা বা ওভারথিংকিং। এখনকার দিনে এই সমস্যায় ভোগেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল।কিন্তু সত্যি বলতে, বেশি ভাবা কোনো খারাপ অভ্যাস হিসেবে শুরু হয় না। এর শুরুটা হয় দায়িত্ববোধ থেকে, সাবধান থাকার ইচ্ছা থেকে। সমস্যা হয় তখনই, যখন এই ভাবনাগুলো আর কাজে লাগে না, বরং মনের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।আমাদের মস্তিষ্ক সব সময় স্পষ্ট উত্তর চায়। কোনো বিষয় অসম্পূর্ণ থেকে গেলে, মাথা সেটা ছাড়তে চায় না। কী হবে, কী হতে পারত- এই প্রশ্নগুলো বারবার ফিরে আসে। ঠান্ডা মাথায় ভাবার জায়গায় তখন উদ্বেগ ঢুকে পড়ে।
এই অবস্থায় শরীরের চাপও বাড়ে। ভেতরের সতর্ক সংকেতগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে ছোট সমস্যাও বড় বলে মনে হয়। ভাবতে ভাবতে আমরা ভুলে যাই, সব সমস্যার সমাধান শুধু ভাবনায় আসে না।
বেশি ভাবলে মনটা সংকুচিত হয়ে যায়। চারদিক থেকে ভাবার সুযোগ কমে যায়। মাথা একটা পথেই হাঁটতে থাকে। এতে মনোযোগ কমে, সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়। সবচেয়ে খারাপ হলো- মনের ভেতরের বানানো ভয়কেও মস্তিষ্ক সত্যি ধরে নেয়। তখন নিজের ওপর বিশ্বাস কমতে থাকে। ছোট ছোট সিদ্ধান্তও কঠিন লাগে।