শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

সেনাবাহিনীর সহায়তায় স্বস্তি পেল আটকে পরা সাজেক এলাকার পর্যটক

সেনাবাহিনীর সহায়তায় স্বস্তি পেল আটকে পরা সাজেক এলাকার পর্যটক

সেনাবাহিনীর  সহায়তায় স্বস্তি পেল আটকে পরা সাজেক এলাকার পর্যটক


ভ্রমন পিয়াসু দেশী-বিদেশী পর্যটকদের অত্যন্ত পছন্দের জায়গা পার্বত্য এলাকার মেঘ - পাহাড়ের দেশ রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালি। 
বাংলার পার্বত্য এলাকার এই অপরূপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করবার জন্য প্রতিদিন আগমন করেন হাজার হাজার পর্যটক। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য মাঝে মাঝেই স্থানীয় সাধারণ লোকজনের সরলতার সুযোগ নিয়ে নানাধরণের গুজব ছড়িয়ে আঞ্চলিক সশস্ত্র দলের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ মিথ্যে অযুহাতে আন্দোলনের নামে সাজেক গমনের একমাত্র রাস্তা ব্লক করে রেখে পর্যটকদের হয়রানিতে ফেলে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিনেও অবরোধের ঘোষণা দেয় এবং দূর্গম রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গাছের গুড়ি ফেলে এবং সহজ সরল মহিলাদের ভূলভাল বুঝিয়ে লাঠিসোটা দিয়ে পথে নামিয়ে পর্যটকদের অবরুদ্ধ করে রাখে। নিরাপত্তাহীনতা ও ভোগান্তির কবলে পড়ে দূর্গম এলাকায় আতংকিত হয়ে পড়ে পর্যটক ও সাধারণ জনগণ।

পর্যটকদের নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য বাঘাইহাট জোনের, জোন কমান্ডার,লেঃ কর্নেল -মোঃ মনিরুল ইসলাম,পিপিএম(বার), পিএসসি এর নেতৃত্বে বাঘাইহাট জোনের সেনা সদস্যদের দ্বারা দুষ্কৃতকারী কর্তৃক রাস্তার উপর ফেলে রাখা অসংখ্য গাছ রাত থেকেই অক্লান্ত  পরিশ্রমের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়। তারপরও দুষ্কৃতকারীরা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্নভাবে রাস্তায় প্রতিবন্ধক তৈরি করে  পর্যটকদেরকে অবরুদ্ধ করে ফেলে।নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় স্কট দিয়ে সাজেকে আটকে থাকা এবং খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক ভ্যালিতে আগমনকারী পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে।সেনাবাহিনী ও পুলিশের প্রচেষ্টায় পর্যটক শিল্প কোন প্রকার সমস্যা হয় নাই এবং সকল প্রকার যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক।

এছাড়াও মাসালং ১৪ কিলো এলাকায় বনবিভাগ কর্তৃক উচ্ছেদকৃত মালামাল সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় উভয় পক্ষের বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যার নিষ্পত্তি করা হয়। 

দূষ্কৃতিকারীদের দ্বারা গাছ কেটে রাস্তা অবরোধ করার সময় বৈদ্যুতিক খুটি ভেঙ্গে পড়ায় সাজেক পর্যটন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে। সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের সহযোগিতায় বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলীর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে সফল হয়েছে।