বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

মিয়ানমারে নির্বাচনি কাজে ‘ব্যাঘাতের’ অভিযোগে ২২৯ জনের বিচার শুরু

মিয়ানমারে নির্বাচনি কাজে ‘ব্যাঘাতের’ অভিযোগে ২২৯ জনের বিচার শুরু

মিয়ানমারে নির্বাচনি কাজে ‘ব্যাঘাতের’ অভিযোগে ২২৯ জনের বিচার শুরু

মিয়ানমারে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ‘ব্যাঘাত’ সৃষ্টির অভিযোগে দুই শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে জান্তা সরকার। মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে, এই কঠোর আইন মূলত ভিন্নমত দমনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। 

আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। 

জান্তা সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তুন তুন নাউং জানিয়েছেন, নির্বাচনি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টার অভিযোগে মোট ২২৯ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সামরিক জান্তা একটি বিশেষ আইন প্রয়োগ করে এই বিচার কার্যক্রম চালাচ্ছে। আইনটির মাধ্যমে প্রস্তাবিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের বিরোধিতা বা সমালোচনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমার। জান্তা বাহিনী একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে। যদিও প্রধান বিরোধী দলগুলো এবং আন্তর্জাতিক মহলের বড় একটি অংশ এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করে বর্জন করেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এই ধরনের আইনি পদক্ষেপ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক কর্মীদের ভয় দেখানো ও কণ্ঠরোধ করার একটি হাতিয়ার মাত্র। ইতোমধ্যেই দেশটির গণতান্ত্রিক নেতা অং সান সু চিসহ হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী কারাগারে বন্দি রয়েছেন। জান্তার এই নতুন আইন প্রয়োগ মিয়ানমারের ভঙ্গুর রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।