বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মিয়ানমারে নির্বাচনি কাজে ‘ব্যাঘাতের’ অভিযোগে ২২৯ জনের বিচার শুরু

মিয়ানমারে নির্বাচনি কাজে ‘ব্যাঘাতের’ অভিযোগে ২২৯ জনের বিচার শুরু

মিয়ানমারে নির্বাচনি কাজে ‘ব্যাঘাতের’ অভিযোগে ২২৯ জনের বিচার শুরু

মিয়ানমারে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ‘ব্যাঘাত’ সৃষ্টির অভিযোগে দুই শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে জান্তা সরকার। মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে, এই কঠোর আইন মূলত ভিন্নমত দমনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। 

আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। 

জান্তা সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তুন তুন নাউং জানিয়েছেন, নির্বাচনি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টার অভিযোগে মোট ২২৯ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সামরিক জান্তা একটি বিশেষ আইন প্রয়োগ করে এই বিচার কার্যক্রম চালাচ্ছে। আইনটির মাধ্যমে প্রস্তাবিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের বিরোধিতা বা সমালোচনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমার। জান্তা বাহিনী একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে। যদিও প্রধান বিরোধী দলগুলো এবং আন্তর্জাতিক মহলের বড় একটি অংশ এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করে বর্জন করেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এই ধরনের আইনি পদক্ষেপ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক কর্মীদের ভয় দেখানো ও কণ্ঠরোধ করার একটি হাতিয়ার মাত্র। ইতোমধ্যেই দেশটির গণতান্ত্রিক নেতা অং সান সু চিসহ হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী কারাগারে বন্দি রয়েছেন। জান্তার এই নতুন আইন প্রয়োগ মিয়ানমারের ভঙ্গুর রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।