বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার

‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার

‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার


নব্বইয়ের দশক ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে পরিচিত মুখ ছিলেন শাবনূর। কোটি মানুষের হৃদয়ের নায়িকা তিনি। বেশ কয়েক বছর ধরে অভিনয় থেকে দূরে সরে আছেন এই অভিনেত্রী। তারপরেও জনপ্রিয়তায় একটুও ভাটা পড়েনি তার।

ভিন্ন আঙ্গিকে একের পর এক সুপারহিট ছবি, দর্শকের ভালোবাসা, নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ-সব মিলিয়ে টানা এক যুগের বেশি সময় ছিলেন পছন্দের শীর্ষে।বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) এই নায়িকার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে জেনে নেয়া যাক সেই সিনেমার গল্প, যার হাত ধরে ক্যারিয়ারের একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারটি পেয়েছেন শাবনূর।

‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা শাবনূর শুরুতেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এসেছেন দীর্ঘ দৌড়ের জন্য। ব্যবসাসফল না হলেও থেমে থাকতে হয়নি তাকে। পরে ‘তুমি আমার’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বিয়ের ফুল’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘মাটির ফুল’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন সময়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নায়িকা। কিন্তু জাতীয় স্বীকৃতি যেন অধরাই থেকে যায়।

অবশেষে ২০০৫ সালে শেষ হয় অপেক্ষার। শাবনূরের ক্যারিয়ারে প্রথম ও একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার আসে ‘দুই নয়নের আলো’ সিনেমার মাধ্যমে। এই সিনেমার মুক্তির দেড় যুগের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। অথচ এর পেছনের গল্প জানলে এখনো বিস্মিত হতে হয়।

মজার বিষয় হলো, প্রথম দিকে এই সিনেমার প্রতি শাবনূরের তেমন আগ্রহই ছিল না। সিনেমার পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক তখন বয়সে একেবারেই তরুণ-বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, বিবিএতে পড়ছেন। শাবনূরের মতো সুপারস্টারের কাছে তার প্রস্তাব খুব একটা গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু গল্প বদলে যায়, যখন তিনি বুঝতে পারেন, একজন ২৩-২৪ বছরের তরুণ অসম্ভব আত্মবিশ্বাস নিয়ে এই সিনেমা বানাতে চান।

সে সময় শাবনূরের শিডিউল পাওয়া মানেই ছিল ‘সোনার হরিণ’। অথচ অবাক করে দিয়ে তিনি একটানা ৪০ দিনের শিডিউল দিয়ে দেন এই তরুণ পরিচালককে। মানিকের ভাষায়, শাবনূরের এই সহযোগিতা ছিল কল্পনারও বাইরে।