ভয়াবহ বায়ুদূষণের মুখে ভারতের রাজধানী দিল্লির সমস্ত বেসরকারি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৫০ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকবে এবং বাকিরা বাড়ি থেকে কাজ করবে। রয়টার্স জানিয়েছে, একই সঙ্গে বিধি মেনে না চলা যানবাহনের ওপর 'নিষেধাজ্ঞা' জারি করা করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, দিল্লি অঞ্চলে ৩ কোটি মানুষ বসবাস করে। সেখানে বায়ুর মান সূচক (AQI) গত কয়েকদিন ধরে 'গুরুতর' শ্রেণীতে রয়েছে- প্রায়শই স্কোর ৪৫০-এর সীমা অতিক্রম করছে।
এছাড়াও শহরের কিছু অংশে অগভীর কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে বিমান এবং ট্রেন চলাচল প্রভাবিত হয়েছে।
এই পরিস্থিতিত শহরে পুরানো ডিজেল ট্রাক প্রবেশ এবং পাবলিক প্রকল্পসহ নির্মাণ স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সরকারের একজন মন্ত্রী কপিল মিশ্র ঘোষণা করেছেন, শহরের সমস্ত বেসরকারি ও সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ উপস্থিতি থাকবে, বাকিরা বাড়ি থেকে কাজ করবে।
দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে সকল নিবন্ধিত নির্মাণশ্রমিক- যাদের অনেকেই দৈনিক মজুরি পান, তাদের ১০ হাজার রুপি (১১০ ডলার) ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার রাতে দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসা বলেন, 'আমাদের সরকার দিল্লিতে বিশুদ্ধ বাতাস প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী দিনে আমরা এটি নিশ্চিত করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেব।'
দিল্লি এবং এর শহরতলিতে দূষণ সমস্যা শীতকালে প্রকট হয়ে ওঠে। এই সময়ে দূষণের মাত্রায় শহরটি বিশ্বের সর্বোচ্চ স্তরে চলে যায়, যা বাসিন্দাদের শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর ঝুঁকির মুখে ফেলে।
