শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্য পাচারের পথে বিপুল পরিমাণ বাউন্ডলি জব্দ

মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্য পাচারের পথে বিপুল পরিমাণ বাউন্ডলি জব্দ

মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্য পাচারের পথে বিপুল পরিমাণ বাউন্ডলি জব্দ

মিয়ানমারে পাচারের পথে কক্সবাজারের রামু থেকে বিপুল পরিমাণ বাউন্ডলি (সামরিক বাহিনীর পোশাকে ব্যবহৃত অস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার বেল্ট) জব্দ করেছে পুলিশ। এসময় একটি পিকআপসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে তাদের আটক ও এসব বাউন্ডলি জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের নুরুল আলমের ছেলে মো. শাহজাহান(২৫), বদিউজ্জামানের ছেলে মো. ইলিয়াস (১৯), এম এ সামাদের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫)।

আটক হওয়া পিকআপের ৩২টি বস্তায় তল্লাশি চালিয়ে প্রায় এক হাজার ৬০০ বউন্ডলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম বহন করে রামু হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ির দিকে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। ব্যাপক তল্লাশির জন্য রামু থানা পুলিশের একটি দল জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান সংলগ্ন নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের মাথায় অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে। একপর্যায়ে ওই এলাকায় একটি পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে এসব উদ্ধার ও তিনজনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা স্বীকার করে যে, তারা অবৈধভাবে এসব সামগ্রী বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করছিল। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে উদ্ধার মালামাল ও ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করা হয়।

রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রামু থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাদের সহযোগী এবং অন্যান্য আসামিদের শনাক্তের কাজ চলছে। পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার এ. এন. এম সাজেদুর রহমান বলেন, বিপুল পরিমাণ বাউন্ডলি কোথায় নেওয়া হচ্ছিল; কারা এর সঙ্গে জড়িত তা শনাক্ত করতে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে পুলিশ। আশা করছি শিগগিরই তা শনাক্ত হবে এবং সংযুক্তদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।