শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

এনসিপি নেত্রী রুমীর শেষ ফোনালাপ

এনসিপি নেত্রী রুমীর শেষ ফোনালাপ

এনসিপি নেত্রী রুমীর শেষ ফোনালাপ

শেষ ফোনালাপে বাবাকে যে কথা বলেছিলেন এনসিপি নেত্রী রুমীপাসপোর্টের কাজ শেষ করতেই বাড়ি ফেরার কথা ছিল মেয়ের। বাবা জাকির হোসেন সেই অপেক্ষাতেই ছিলেন।

কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে ধানমন্ডি থানার ওসির ফোনে সব অপেক্ষা থেমে যায়। জানানো হয়, তার মেয়ে আর নেই। জিগাতলার একটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে উদ্ধার হয়েছে তার নিথর দেহ।

নিহত তরুণীর নাম জান্নাত আরা রুমী। বয়স ৩০। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ধানমন্ডি থানার যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাড়ি নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলায়। খবর পেয়ে মেয়ের মরদেহ নিতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন শোকাতুর বাবা।

শেষবার বাবার সঙ্গে রুমীর কথা হয়েছিল গত ১৩ ডিসেম্বর। ফোনের ওপাশে মেয়ের কণ্ঠে ছিল চাপা অস্থিরতা। বাবাকে জানিয়েছিলেন, তিনি টেনশনে আছেন। কী নিয়ে দুশ্চিন্তা, তা আর বলা হয়নি। সেই কথাই এখন বাবার মনে বারবার ফিরে আসছে।

 

বাবা জানান, পাসপোর্ট করতে রুমীর বাড়ি আসার কথা ছিল। ফোনালাপে মেয়েটি বাসায় রাখা একটি ব্যাংক চেকের কথাও বলেছিল। সেটি খুঁজে রাখতে বাবাকে অনুরোধ করেন। স্বাভাবিক কিছু কথাবার্তা যার ভেতরে লুকিয়ে ছিল অজানা এক রহস্য।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর জিগাতলার একটি ছাত্রী হোস্টেলে রুমীর কক্ষের দরজায় দীর্ঘক্ষণ সাড়া পাওয়া যায়নি। ভেতর থেকে দরজায় ছিটকিনি লাগানো ছিল। পরে পুলিশ দরজা ভেঙে কক্ষের ভেতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, রুমী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন এবং জিগাতলার ওই ছাত্রী হোস্টেলের একটি কক্ষে একাই থাকতেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। বাবার কানে শুধু ভাসে মেয়ের শেষ কথা—টেনশনে আছি। সেই টেনশনের কারণ কী ছিল, তার জবাব খুঁজছে পরিবার।