যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রকল্পে আবররও নিজেদের অনস্তভূক্ত করতে চায় তুরস্ক। এ লক্ষ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে প্রায় এক দশক আগে সংগ্রহ করা 'এস-৪০০' এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও ফিরিয়ে দিতে চায় আঙ্কারা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে 'এফ-৩৫' যুদ্ধবিমানের যৌথ উৎপাদন পরিকল্পনায় তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে রাশিয়া থেকে 'এস-৪০০' এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ক্রয় করায় তুরস্ককে সেই পরিকল্পনা থেকে বাদ দেয়া হয়। সিরিয়ায় সামরিক অভিযান এবং গ্রিসের আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে তুরস্কের ভাগ্যে জোটে মার্কিন বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞাও।
মার্কিন সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায় আঙ্কারা। গেলো সেপ্টেম্বরে এক বৈঠকে এই ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনা করেন ট্রাম্প ও এরদোগান। এরইমাঝে তুরস্কের কাছে অন্তত ৪০ টি 'এফ-৩৫' যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়ে আলোচনা বেশ অনেকটা এগিয়েছে।
একইসাথে রাশিয়ার সাথেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। গেলো সপ্তাহে তুর্কিমেনিস্তানে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে এ বিষয়ে বৈঠকও করেন এরদোগান। যদিও এ বিষয়ে মুখ খুলেনি কোন পক্ষই।
ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি ফিরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি, এর বিনিময়ে যে অর্থ দেয়া হয়েছে তাও ফেরত চায় তুরস্ক। এজন্য রাশিয়া থেকে কেনা তেল ও জ্বালানির অর্থের সাথে সমন্বয়ের কথা ভাবছে আঙ্কারা।
মূলত, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করলে পশ্চিমা দেশগুলোর অনেক গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যেতে পারে মস্কোর কাছে। এই অভিযোগের জেরেই তুরস্ককে 'এফ-৩৫' পরিকল্পনা থেকে বাদ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
