শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

সম্মান দিলে আর কোনো সামরিক অভিযান নয় : পুতিন

সম্মান দিলে আর কোনো সামরিক অভিযান নয় : পুতিন

সম্মান দিলে আর কোনো সামরিক অভিযান নয় : পুতিন

 

ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপের অন্য কোথাও রুশ সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়াকে সম্মান দিলে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষা করলে নতুন করে আর কোনো হামলার পরিকল্পনা নেই। তবে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণ এবং রাশিয়ার সঙ্গে অতীতে করা 'প্রতারণা' আর মেনে নেওয়া হবে না।

 

টেলিভিশনে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে চলা ‘ডাইরেক্ট লাইন’ অনুষ্ঠানে বিবিসির সাংবাদিক স্টিভ রোজেনবার্গের এক প্রশ্নের জবাবে পুতিন এই মন্তব্য করেন। তিনি ইউরোপে হামলার পরিকল্পনাকে ‘বাজে কথা’ বলে উড়িয়ে দিলেও যুদ্ধের অবসানে নিজের শর্তগুলো পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

 

পুতিন জানান, তিনি আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত, তবে এর জন্য ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার প্রচেষ্টা ত্যাগ করতে হবে এবং রাশিয়ার দাবি করা চারটি অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৯০ সালে ন্যাটো যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা ভঙ্গ করেছে, যা বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ।

 

পুতিন যখন টিভিতে শান্তির কথা বলছিলেন, ঠিক সেই সময়েই ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, তারা ভূমধ্যসাগরে রাশিয়ার একটি ‘ছায়া বহর’ বা তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সফল হামলা চালিয়েছে।

 

পুতিন ইউক্রেনে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং ভোটাভুটির সময় হামলা বন্ধ রাখতেও সম্মতি জানিয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।