বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

ভারতীয় দূতাবাসে ‘ঘৃণা জানাতে’ একক পদযাত্রায় রাশেদ প্রধান

ভারতীয় দূতাবাসে ‘ঘৃণা জানাতে’ একক পদযাত্রায় রাশেদ প্রধান

ভারতীয় দূতাবাসে ‘ঘৃণা জানাতে’ একক পদযাত্রায় রাশেদ প্রধান

ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে ‘ঘৃণা জানাতে’ গুলশানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের উদ্দেশে একক পদযাত্রা শুরু করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর পল্টন বক্স কালভার্ট রোড থেকে তিনি এই পদযাত্রা শুরু করেন। উল্লেখ্য, এই স্থানেই এর আগে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনা ঘটেছিল।

রাশেদ প্রধান জানান, ভারতীয় নীতির বিরুদ্ধে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবিতে প্রতীকীভাবে তিনি এই কর্মসূচি পালন করছেন।

পদযাত্রাকালে ভারতীয় দূতাবাসের উদ্দেশে তিনি সঙ্গে একটি কালো গোলাপ বহন করছেন। রাজনৈতিক ভাষায় কালো গোলাপ কর্তৃত্ব ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

রাশেদ প্রধান পদযাত্রার শুরুতে বলেন, ‘হিন্দুস্তান গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও হাদির খুনিদের আশ্রয় দিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে সীমান্তে হত্যা, অবৈধ পুশ-ইন, ভূমি দখল, পানির ন্যায্য হিস্যা না দেওয়া এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা দিল্লির জন্য ছেলেখেলায় পরিণত হয়েছে। দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে ভারত সরকারের আগ্রাসী মনোভাবের প্রতি আমি তীব্র ঘৃণা জানাতে চাই।’

জাগপা মুখপাত্র বলেন, ‘অতীতে একাধিকবার মিছিল সহকারে ভারতীয় দূতাবাসে যাওয়ার এবং স্মারকলিপি বা চিঠি দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

কিন্তু প্রশাসন আতঙ্কিত হয়ে মাঝপথে আটকে দিয়েছে। তাই এবার প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ একা হেঁটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাতে প্রশাসন বুঝতে পারে একজন নিরস্ত্র ব্যক্তি দূতাবাসের জন্য কোনো হুমকি নন।’