রবিবার, জুলাই ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যে গানের পর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আসিফকে

যে গানের পর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আসিফকে

যে গানের পর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আসিফকে


গানের 'যুবরাজ' নামে খ্যাত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। আসিফ আকবরের প্রথম অ্যালবাম ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ প্রকাশ করে রাতারাতি তারকা বনে যান। অ্যালবামটি প্রকাশিত হয় ২০০১ সালে। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আসছে নতুন বছরের ৩০ জানুয়ারি এই সাড়াজাগানো গানের ২৫ বছর পূর্তি, রজতজয়ন্তী। দুই যুগের বেশি সময় পেরিয়েও গানটি এখনো বাংলা গানের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়।
 
একটি গান দিয়েই বদলে গিয়েছিল সবকিছু। ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’—এই গানেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে আসেন আসিফ।

২০০১ সালের ৩০ জানুয়ারি সাউন্ডটেকের ব্যানারে মুক্তি পায় ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবাম। এতে ছিল ১২টি গান। প্রকাশের পরপরই গানটি ছড়িয়ে পড়ে পাড়া-মহল্লা থেকে শহরের অলিগলি পর্যন্ত। তখন আসিফ ছিলেন নবাগত শিল্পী। কিন্তু এই একটি অ্যালবামেই তিনি রীতিমতো তারকাখ্যাতি পেয়ে যান। তরুণ প্রজন্মের আবেগ, বিরহ আর ভালোবাসার প্রতীক হয়ে ওঠে তাঁর কণ্ঠ। অ্যালবাম বিক্রির দিক থেকেও সে সময় রেকর্ড গড়ে ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে গানটির সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে প্রবাসী বাংলাভাষীদের মধ্যেও।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে গানটি নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন আসিফ আকবর। তিনি জানান, অ্যালবামটি ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত হলেও টেলিভিশনে গানটি প্রচার শুরু হয় জুলাই মাসে। শুরুতে প্রতিক্রিয়া ধীরে এলেও টিভিতে প্রচারের পর গানটির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ওঠে।

নিজের পথচলা নিয়ে আসিফ বলেন, ‘আমার কোনো কাজ সহজে হয়নি। ঝড়, বন্যা, অভাব, পারিবারিক চাপ—সবকিছুর ভেতর দিয়েই আমাকে চলতে হয়েছে। এসবের মধ্যেই থাকতে আমার ভালো লাগে।’