শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

বড়দিন ঘিরে কানাডার শপিংমলগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

বড়দিন ঘিরে কানাডার শপিংমলগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

বড়দিন ঘিরে কানাডার শপিংমলগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

বড়দিন ঘিরে কানাডার শপিংমলগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। সিক্রেট শান্তার উপহার নিতে, আর প্রিয়জনদের উপহার দিতে প্রচণ্ড ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে মলগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে।

খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ‌‘বড়দিন’ বা ‘ক্রিসমাস ডে’। কানাডিয়ানরা সারা বছরই অপেক্ষায় থাকেন এ দিনটির। দিনটি শুরু হওয়ার আগেই ডিসেম্বর মাসজুড়ে থাকে আনন্দ উৎসবের আয়োজন।

বড়দিনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো প্রিয়জনদের মধ্যে উপহার আদান-প্রদান। সিক্রেট শান্তা আর প্রগাঢ় ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তারা ভাগাভাগি করে নেন বড়দিনের আনন্দ।

বড়দিন ঘিরে পুরো কানাডা উৎসবমুখর ও বর্ণিল আয়োজনে সেজেছে। শুরু হয়েছে হলিডে সিজন। আলোকসজ্জায় সজ্জিত হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি। শপিং কমপ্লেক্সগুলোয় উপচে পড়া ভিড়। পরিবার-পরিজন নিয়ে চলছে আনন্দ আয়োজন। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও যোগ দিচ্ছেন বড়দিনের এ উৎসবে।

ছোট ছোট কোমলমতি শিশু-কিশোরদের কাছে শান্তা ক্লজ অন্যতম আকর্ষণ। শিশু-কিশোরদের আনন্দে আনন্দিত হন বড়রাও। সারা বছরের কর্মব্যস্ততাময় একঘেয়েমি জীবন থেকে বের হয়ে এসে পরিবারের সঙ্গে মিলিত হয়ে মেতে ওঠেন বড়দিনের আনন্দ-উৎসবে।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন কমিউনিটির নেতারা রাস্তায় রাস্তায় ‘মেরি ক্রিসমাস’-সংবলিত পোস্টার টাঙিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। বিভিন্ন শপিংমল ও পরিবহনগুলোতে লেখা হয়েছে ‘হ্যাপি হলিডে’।

অন্যদিকে, বড়দিনের আর মাত্র দুই দিন বাকি থাকায় কানাডার বিভিন্ন শপিংমলগুলোতে কেনাকাটার ব্যস্ততা তুঙ্গে উঠেছে। শেষ মুহূর্তের উপহার কিনতে সপ্তাহান্তে বিপুলসংখ্যক ক্রেতা মলগুলোতে ভিড় করছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও মলগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো, তবে এ বছর অনেকেই আগের তুলনায় খরচ কমিয়ে কেনাকাটা করছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে অনেকে প্রয়োজনের বাইরে অতিরিক্ত কেনাকাটা এড়িয়ে চলছেন।

বেশির ভাগ ক্রেতাই জানান, তারা পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠদের জন্য সীমিত পরিসরে উপহার কিনছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভিড় থাকলেও বিক্রির পরিমাণ সব ক্ষেত্রে প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না।

তবু বড়দিনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশে শপিংমলগুলোতে কেনাকাটার চাপ অব্যাহত রয়েছে।

খ্রিষ্টধর্মের অনুসারী অ্যানথনি জ্যাকব বলেন, সমগ্র বিশ্ববাসীর সুখ-শান্তি কামনা করে এ বছর আমরা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করব। বড়দিন মানে নতুন চেতনা ও মুক্তির কথা। সংগ্রামী পৃথিবীতে আমরা যেন ভালো থাকি, এটাই আমাদের প্রার্থনা।