বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় নাজিব রাজাক দোষী সাব্যস্ত

অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় নাজিব রাজাক দোষী সাব্যস্ত

অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় নাজিব রাজাক দোষী সাব্যস্ত

বহুল আলোচিত ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারির চূড়ান্ত মামলায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন মালয়েশিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) পুত্রজায়ার প্যালেস অব জাস্টিস এ চলা দীর্ঘ সাত বছরের শুনানি শেষে আদালত তাকে ক্ষমতার অপব্যবহারের চারটি প্রধান অভিযোগেই দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

 
বিচারক কলিন লরেন্স সেকুয়েরাহ তার রায়ে জানান, নাজিব রাজাক রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ওয়ানএমডিবি থেকে ২৩০ কোটি রিঙ্গিত (প্রায় ৫৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) আত্মসাৎ করতে নিজের পদের অপব্যবহার করেছেন। বর্তমানে নাজিব এই মামলার বাকি ২১টি মানি লন্ডারিং অভিযোগের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন।
 
পুরো বিচারপ্রক্রিয়া চলার সময় নাজিবের আইনজীবীরা দাবি করে আসছিলেন যে, এই অর্থ সৌদি আরব থেকে আসা ‘বৈধ রাজনৈতিক অনুদান’ এবং পলাতক অর্থদাতা ঝো লো নাজিবকে প্রতারিত করেছেন।
 
তবে বিচারক সেকুয়েরাহ এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘তথ্য-প্রমাণ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, ঝো লো নাজিব রাজাকের একজন ‘প্রক্সি’ বা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। নাজিবের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বা ‘গ্রাম্য সাধারণ মানুষ’ হিসেবে দাবি করতে পারেন না।
 
৭২ বছর বয়সি নাজিব রাজাক বর্তমানে ‘এসআরসি ইন্টারন্যাশনাল’ কেলেঙ্কারিতে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কাজাং কারাগারে ৬ বছরের সাজা ভোগ করছেন। আজকের রায়ের ফলে তার সাজা আরও দীর্ঘ হতে যাচ্ছে। প্রতিটি অপব্যবহারের অভিযোগে তার ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত জেল এবং আত্মসাৎকৃত অর্থের পাঁচগুণ জরিমানা হতে পারে।