শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় নাজিব রাজাক দোষী সাব্যস্ত

অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় নাজিব রাজাক দোষী সাব্যস্ত

অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় নাজিব রাজাক দোষী সাব্যস্ত

বহুল আলোচিত ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারির চূড়ান্ত মামলায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন মালয়েশিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) পুত্রজায়ার প্যালেস অব জাস্টিস এ চলা দীর্ঘ সাত বছরের শুনানি শেষে আদালত তাকে ক্ষমতার অপব্যবহারের চারটি প্রধান অভিযোগেই দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

 
বিচারক কলিন লরেন্স সেকুয়েরাহ তার রায়ে জানান, নাজিব রাজাক রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ওয়ানএমডিবি থেকে ২৩০ কোটি রিঙ্গিত (প্রায় ৫৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) আত্মসাৎ করতে নিজের পদের অপব্যবহার করেছেন। বর্তমানে নাজিব এই মামলার বাকি ২১টি মানি লন্ডারিং অভিযোগের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন।
 
পুরো বিচারপ্রক্রিয়া চলার সময় নাজিবের আইনজীবীরা দাবি করে আসছিলেন যে, এই অর্থ সৌদি আরব থেকে আসা ‘বৈধ রাজনৈতিক অনুদান’ এবং পলাতক অর্থদাতা ঝো লো নাজিবকে প্রতারিত করেছেন।
 
তবে বিচারক সেকুয়েরাহ এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘তথ্য-প্রমাণ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, ঝো লো নাজিব রাজাকের একজন ‘প্রক্সি’ বা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। নাজিবের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বা ‘গ্রাম্য সাধারণ মানুষ’ হিসেবে দাবি করতে পারেন না।
 
৭২ বছর বয়সি নাজিব রাজাক বর্তমানে ‘এসআরসি ইন্টারন্যাশনাল’ কেলেঙ্কারিতে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কাজাং কারাগারে ৬ বছরের সাজা ভোগ করছেন। আজকের রায়ের ফলে তার সাজা আরও দীর্ঘ হতে যাচ্ছে। প্রতিটি অপব্যবহারের অভিযোগে তার ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত জেল এবং আত্মসাৎকৃত অর্থের পাঁচগুণ জরিমানা হতে পারে।