শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

নতুন বছরে চালু হবে চট্টগ্রামের তৃতীয় বাস টার্মিনাল

নতুন বছরে চালু হবে চট্টগ্রামের তৃতীয় বাস টার্মিনাল

নতুন বছরে চালু হবে চট্টগ্রামের তৃতীয় বাস টার্মিনাল

চট্টগ্রামের যানজট নিরসনে এক বড় পদক্ষেপ হিসেবে কুলগাঁও এলাকায় নতুন বাস টার্মিনাল তৈরি করা হচ্ছে। প্রায় তিন দশক পর নগরীতে একটি নতুন আধুনিক টার্মিনাল চালু হতে চলেছে, যা নগরীর প্রবেশমুখগুলোকে স্বাভাবিক করার পাশাপাশি রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য জেলা থেকে আগত লাখো যাত্রীর জন্য সুবিধা নিশ্চিত করবে।

বাস টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৮ সালের শুরুতে। সিটি বাস টার্মিনাল প্রকল্পটি ওই বছরের জুলাইয়ে অনুমোদিত হয়। এরপরে জমি অধিগ্রহণসহ নানান জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে কাজ চালু করা যায়নি।

তিন দফা সময় বাড়িয়ে সাত বছরে টার্মিনাল নির্মাণের কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়নি। নগরীর জালালাবাদ ওয়ার্ডে নির্মিত এই টার্মিনালের খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে ইতিমধ্যেই ভৌত কাজের বেশিরভাগ অংশ শেষের দিকে, সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এটি উদ্বোধন করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগরীতে দুটি বাস টার্মিনাল রয়েছে কদমতলী ও বহদ্দারহাট। কদমতলী বাস টার্মিনাল থেকে ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা ও ব্রা²নবাড়িয়া রুটের বাস চলে, এদিকে বহদ্দারহাট টার্মিনাল ব্যবহৃত হয় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম-কাপ্তাই রোডের জন্য।

তবে নগরীর তিন প্রবেশদ্বারে বৈধ কোনো টার্মিনাল না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নগরীতে যানজট একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে।

নানা জটিলতার কারণে কাজ বিলম্বিত হলেও, এখন তা প্রায় শেষ পর্যায়ে। ৮.১০ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত এই টার্মিনালে বাস ও ট্রাকের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, এতে তিনতলা ভবন, ২৫টি বোর্ডিং লেন, তথ্যকেন্দ্র, গণশৌচাগার, টিকিট কাউন্টার, ওয়াইফাই সুবিধা, রেস্তোরাঁ, ফাস্ট এইড স্টেশন এবং চালক-হেলপারদের জন্য আবাসন কক্ষসহ অন্যান্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

চসিকের প্রকল্প পরিচালক জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, টার্মিনালের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণ শেষ হলে টার্মিনাল পরিচালনার জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে এবং এটি চসিকের একটি নতুন রাজস্ব খাত হিসেবে কাজ করবে। আশা করা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের ফেব্রæয়ারির শেষে অথবা মার্চের শুরুতে এটি উদ্বোধন করা সম্ভব হবে।