শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

ভেঙে ফেলা হলো কাবুলের ঐতিহাসিক সিনেমা হল

ভেঙে ফেলা হলো কাবুলের ঐতিহাসিক সিনেমা হল

ভেঙে ফেলা হলো কাবুলের ঐতিহাসিক সিনেমা হল

১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিকে আফগানিস্তানে সমৃদ্ধ চলচ্চিত্র সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত কাবুলের ঐতিহাসিক এরিয়ানা সিনেমা হল ভেঙে ফেলা হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর সিনেমা হলটি উচ্ছেদ শুরু করা হয়।

 

একই স্থানে একটি শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে। এ ঘটনাকে দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিনাশের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৯৬৩ সালে আফগানিস্তানের রাজতান্ত্রিক যুগে আধুনিকায়নের সময় যাত্রা শুরু করা সিনেমা হলটি কয়েক দশক ধরে বিপ্লব, বিদেশি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধ সহ নানা সংকটের মধ্যেও বেঁচে ছিল। এখানে বলিউডের সিনেমা এবং আমেরিকান অ্যাকশন ছবি দিয়ে বিনোদন দিয়ে আসছিল।

 

চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিল্পীরা এর ধ্বংসকে আফগানিস্তানের সাংস্কৃতিক স্মৃতির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন। আফগান চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা আমির শাহ তলাশ এসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, এটি শুধু একটি ভবনের ক্ষয় নয়, বরং সেই সিনেমাপ্রেমীদের সম্প্রদায়কে মুছে ফেলার মতো, যারা বছরের পর বছর সংঘাতের মধ্যেও শিল্পকে ধরে রেখেছিল। দুর্ভাগ্যবশত, আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক সব নিদর্শন ধ্বংস করা হচ্ছে।

 

২০২১ সালে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর তালেবান সরকার ইসলামি আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করেছে এবং সাংস্কৃতিক জীবনকে সীমিত করেছে। ক্ষমতা নেওয়ার পরপরই সমস্ত সিনেমা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয় এবং চলতি বছরের মে মাসে আফগান ফিল্ম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিলুপ্ত করা হয়। এরিয়ানা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর ধ্বংসের অনুমোদন পায়।

 

একসময় আফগানিস্তানের আধুনিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচিত এরিয়ানা সিনেমার ধ্বংস দেশটির চলমান সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের একটি চিত্র তুলে ধরে, যেখানে শিল্প ও জনজীবনের সঙ্গে জড়িত ঐতিহাসিক স্থানগুলো ক্রমবর্ধমান কঠোর রাজনৈতিক পরিবেশে হারিয়ে যাচ্ছে।