শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

চিকিৎসকের অবহেলায় বীর প্রতীক রত্তন আলীর মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

চিকিৎসকের অবহেলায় বীর প্রতীক রত্তন আলীর মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

চিকিৎসকের অবহেলায় বীর প্রতীক রত্তন আলীর মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে চিকিৎসাধীনবস্থায় তিনি মারা যান।


বীর প্রতীক রত্তন আলী শরীফ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ শরীফের ছেলে।

স্বজনরা জানান, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে অসুস্থ অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা রত্তন আলীকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


বীর প্রতীকের ছোট কন্যা ইমু অভিযোগ করেন, তার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর অবস্থার অবনতি হলে মুক্তিযোদ্ধার সম্মানে তার জন্য একটি কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সকাল ছাড়া চিকিৎসকদের দেখাই মিলবে না। এমনকি হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা সেবা না দিয়ে বরং ওয়ার্ডে স্থানান্তর অথবা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে বলেন।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, নামমাত্র চিকিৎসা দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

 

এ বিষয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, ‘স্বজনদের অভিযোগের প্র‍েক্ষিতে ছয় সদস্যর কমিটি গঠন করা হয়েছ। তদন্ত করে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


বীরপ্রতীক রত্তন শরীফের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে। তিনি ১৯৬৩ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন।


মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আগে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেন।


পরবর্তী জীবনে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।