স্কুল, হাসপাতাল, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের আশপাশে সিগারেট বা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে ধূমপান ও তামাক দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশু২০২৫ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষার লক্ষ্যে এই অধ্যাদেশকে সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সচেতন মহল মনে করছেন, শুধু নির্দিষ্ট এলাকার আশপাশে নয় স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কাছে যে কোনো দোকানে সিগারেট বা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে আরও কঠোর জরিমানার বিধান কার্যকর করা জরুরি।
কারণ, অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের হাতে সহজেই সিগারেট পৌঁছে যাওয়া তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দোকানদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ, নিয়মিত তদারকি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগেও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
জনস্বার্থে জারি করা এই অধ্যাদেশের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ধূমপানমুক্ত ও সুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
কুষ্টিয়া থেকে মীর রকিবুল ইসলাম।
