শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

স্বামী পুলিশ, ইউনিফর্ম পরে স্ত্রী করেন টিকটক

স্বামী পুলিশ, ইউনিফর্ম পরে স্ত্রী করেন টিকটক

স্বামী পুলিশ, ইউনিফর্ম পরে স্ত্রী করেন টিকটক

রাজশাহীতে পুলিশের ইউনিফর্ম পড়ে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে প্রকাশ করায় এক পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার ড. মো. জিললুর এই আদেশ দেন।

 

প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যের নাম সাইফুজ্জামান। তিনি আরএমপির কাশিয়াডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন।

আরএমপির কাশিয়াডাঙ্গা থানার ওসি ফরহাদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার তিনি খবর পান, কনস্টেবল সাইফুজ্জামান বিয়ে না করেও সীমা খাতুন নামের একজন নারীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন এবং সীমা খাতুন কনস্টেবল সাইফুজ্জামানের ইউনিফর্ম পড়ে ভিডিও তৈরি করে টিকটকে পোস্ট করেন। এরপর ওসি নিজেই ওই কনস্টেবলের ভাড়া বাসায় যান। সেখানে যাচাই করে জানতে পারেন, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান এই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে বিয়ের কাবিনের কাগজ এখনও হাতে পাননি।

কিন্তু সীমা (পুলিশ সদস্যের স্ত্রী) যে পুলিশের পোশাক পরে টিকটকে ভিডিও পোস্ট করেন, সেই অভিযোগ সত্য। এরপর ওসি বিষয়টি আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

 

এদিকে বৃহস্পতিবারই কনস্টেবল সাইফুজ্জামানকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্তর আদেশে স্বাক্ষর করেন পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিললুর রহমান। এরপর রাতেই কনস্টেবল সাইফুজ্জামান থানা থেকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত হন।

আরএমপির মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান বলেন, স্বামীর পুলিশের পোশাক স্ত্রীর পরিধান করার কোনো সুযোগ নেই। এটি ফৌজদারি অপরাধ। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ওই কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।