মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মায়ের গুরুত্ব আমাদের পরিবার ছাড়িয়ে দেশবাসীর মাঝেই ছিল সবচেয়ে বেশি: তারেক রহমান

মায়ের গুরুত্ব আমাদের পরিবার ছাড়িয়ে দেশবাসীর মাঝেই ছিল সবচেয়ে বেশি: তারেক রহমান

মায়ের গুরুত্ব আমাদের পরিবার ছাড়িয়ে দেশবাসীর মাঝেই ছিল সবচেয়ে বেশি: তারেক রহমান

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শেষে দেশবাসী ও বিশ্বনেতাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শোকাতুর সময়ের অনুভূতি ভাগ করে নেন।

তারেক রহমান তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, এই তিন দিনের শোক পালনের সময় তিনি উপলব্ধি করেছেন তাঁর মা শুধু পরিবারের সদস্য ছিলেন না, বরং একেকজন মানুষের কাছে ছিলেন একেকটি অনুপ্রেরণার নাম। তিনি বলেন, মা ভিন্ন ভিন্ন মানুষের কাছে ভিন্ন ভিন্ন তাৎপর্য বহন করতেন। অনেক ক্ষেত্রে সেই তাৎপর্য এতটাই গভীর ও অর্থবহ ছিল, যা হয়তো আমরা নিজেরাও পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারিনি। অনেকের কাছে তিনি ছিলেন অটল সাহসের প্রতীক এবং নিজ বিশ্বাসের পক্ষে অবিচল দাঁড়িয়ে থাকার এক অদম্য প্রেরণা।

শোকের এই দিনগুলো মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে সম্পন্ন করায় অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকারের দ্রুত সমন্বয় ও আন্তরিকতার কারণেই এই সম্মানজনক অন্তিম আয়োজন সুচারুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

 

বিশেষভাবে সশস্ত্র বাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তাদের সম্মানসূচক গার্ড অব অনার ও শেষ সালাম আমার মায়ের জীবন ও অবদানের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। তারা জাতির শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।

প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্রসমূহ, কূটনৈতিক মিশন এবং বিশ্বের নানা প্রান্তের সরকারপ্রধানদের পাঠানো সমবেদনা বার্তার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের এই সংহতি জিয়া পরিবারকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে। জানাজায় বিভিন্ন দেশের সম্মানিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি ও শোক বইয়ে লেখা অনুভূতিগুলো ছিল অভূতপূর্ব।

 

তারেক রহমান বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের প্রতি বিনম্র অভিবাদন জানিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমবেত হয়ে দেশনেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য আমাদের পরিবার কখনোই ভুলবে না। তিনি মনে করেন, এই ঐক্যবদ্ধ উপস্থিতি মানুষের অকৃত্রিম সহমর্মিতারই বহিঃপ্রকাশ।

বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, শোকের এই কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন, তাদের ভালোবাসা ও সংহতি জিয়া পরিবারকে সামনের দিকে চলার সান্ত্বনা ও শক্তি জুগিয়েছে। ইনশাআল্লাহ, এই কৃতজ্ঞতাবোধ আগামীর বাংলাদেশে বহন করে চলার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।