রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননার দায়ে আইনানুগভাবে জবাবদিহি করতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট–সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পারসন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করে ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কিত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইন অনুযায়ী দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ না দেওয়ার কারণে হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গেছেন—এমন তথ্য টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এসব সংবাদ সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও অত্যন্ত দুঃখজনক বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মতে, এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য তথ্য উপস্থাপন আদালত অবমাননার শামিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদ প্রকাশের আগে যদি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি থেকে তথ্যের যথার্থতা যাচাই করতেন, তবে এ ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তাঁর মায়ের অসুস্থতার কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশ নিতে পারছেন না। এসব ঘটনার সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানিয়েছে।