সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৬ সালের রোজার ঈদে সাবিলা নূরকে একসাথে দুইটি সিনেমায় দেখা যেতে পারে এটা নিঃসন্দেহে বড় একটি ব্যাপার।
প্রথমত, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’।
এই সিনেমায় সাবিলা নূর থাকছেন লিড ক্যারেক্টারে। সঙ্গে আছেন শরিফুল রাজ, মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, বাঁধন, মম এক কথায় গুণী অভিনেতা-অভিনেত্রীদের একটি শক্তিশালী সমাবেশ। কাস্টিং দেখলেই বোঝা যায়, এটি কোনো হালকা বা চলতি প্রজেক্ট নয়; বরং গল্প, অভিনয় ও নির্মাণ সব দিক থেকেই সিরিয়াস একটি কাজ।
এর পাশাপাশি, যদি ‘প্রিন্স’ সিনেমাটি একই ঈদে মুক্তি পায়, তাহলে সেখানে আবারও সাবিলা নূরকে দেখা যাবে শাকিব খানের বিপরীতে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মেগাস্টারের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করা এমনিতেই বড় চ্যালেঞ্জ, আর একই ঈদে আরেকটি শক্তিশালী সিনেমার সাথে যুক্ত থাকা, এই সুযোগটা খুব কম শিল্পীর ক্ষেত্রেই আসে।
অর্থাৎ, একই ঈদে একবার শাকিব খান, আরেকবার শরিফুল রাজ।
দুই ভিন্ন সিনেমা, দুই ভিন্ন জগৎ, দুই ভিন্ন চ্যালেঞ্জ।
এটা শুধু ভাগ্যের খেলা বললে পুরো সত্যটা বলা হয় না। এই জায়গাটা এসেছে ডেডিকেশন, ধারাবাহিক পরিশ্রম আর নিজের জায়গায় স্থির থাকার ফলেই। সাবিলা নূর কখনো শর্টকাটে যাননি, হাইপ বানিয়ে নিজেকে চাপাননি, নিজের কাজ দিয়েই ধীরে ধীরে জায়গাটা তৈরি করেছেন।
সময়টা এখন সত্যিই সাবিলা নূরের।
আর এই সময়টা তিনি পেয়েছেন কারণ তিনি সেটার যোগ্যতা তৈরি করেছেন।
আমার পক্ষ থেকে সাবিলা নূরের জন্য অন্তর থেকে শুভকামনা।
আশা করি তিনি আরও দূর যাবেন, আরও শক্ত কাজ করবেন, এবং তার পরিশ্রমের মূল্যটা একদিন ন্যায্য স্বীকৃতি ও পুরস্কারের মাধ্যমেই ফিরে পাবেন।
