রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নির্বাচন ঘিরে আগে ও পরে টানা সাত দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নির্বাচন ঘিরে আগে ও পরে টানা সাত দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নির্বাচন ঘিরে আগে ও পরে টানা সাত দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট: ৭ দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আগে ও পরে মিলিয়ে টানা সাত দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভোটকে ঘিরে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ভোটের চার দিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের দুই দিন—এই মোট সাত দিন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার থাকবে। সে অনুযায়ী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ভোটের নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রস্তুতি

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। দেশের ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে স্থাপন করা হবে আনুমানিক ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষ।

নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি সভায় জানানো হয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

ভোটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার দায়িত্ব পালন করবেন ৭ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। এর মধ্যে শুধু আনসার ও ভিডিপি সদস্য থাকবেন প্রায় সাড়ে ৫ লাখ। এছাড়া ৯০ হাজারের বেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডও দায়িত্ব পালন করবে।

নিরাপত্তা জোরদারের পটভূমি

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তফসিল ঘোষণা করেন। পরদিনই ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। এরপর দুটি নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

এই প্রেক্ষাপটে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, সচিবসহ রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

তফসিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিল ঘোষণার পর বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এর ধারাবাহিকতাতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক পরিপত্র জারি করে।