শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

বর্ষার আগেই নদীভাঙন রোধের দাবি চর বগুলা গ্রামের বাসিন্দাদের

বর্ষার আগেই নদীভাঙন রোধের দাবি চর বগুলা গ্রামের বাসিন্দাদের

বর্ষার আগেই নদীভাঙন রোধের দাবি চর বগুলা গ্রামের বাসিন্দাদের

অব্যাহত নদী ভাঙ্গনে হুমকির মূখে বেড়ীবাধ। এই বাধ ছিড়ে গেলে প্লাবাতি হবে পুরো গ্রাম। জোয়ারের  স্রোতে  ক্ষতবিক্ষত হবে গ্রামের কাচা সড়কগুলো। পানিতে ভাসতে হবে গ্রামের বাসিন্ধাদের। তাই বর্সার আগে শীত মৌসুমে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন রোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নোয়াখালী হাতিয়ার চরকিং চরবগুলা গ্রামের বাসিন্ধারা।


বুধবার সকালে চরবগুলা গ্রামের পশ্চিম পাশে নদীর তীরে দাড়িয়ে এই মানববন্ধন করেন প্রায় তিন শতাধিক নারী পুরুষ। এতে অংশগ্রহন করেন এই গ্রামে বসবাস করা বৃদ্ধ, যুবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন পেশার লোকজন।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৩০ বছর ধরে এই গ্রামটিতে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত আছে। আগে ভাঙ্গনের গতি কম থাকলেও এখন অনেক বেড়েছে। মাঝ নদীতে ডুবো চর জেগে উঠায় এখানে ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

নদী ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে বেড়ীবাধের কাছেই চলে এসেছে। বেড়ীবাধ ভেঙ্গে গেলে ভাঙ্গনের গতি কয়েকগুন বেড়ে যাবে। তাতে গ্রামের একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়টি, চারটি মসজিদ, একটি বাজার মহুর্তে নদীগর্ভে বিলীণ হবে।

নদীর একেবারে তীরেই আছে চরবগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। তিনতলা বিশিষ্ট এই বিদ্যালয়ে প্রায় ৪ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী পড়া লেখা করে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাসার বলেন,  বিদ্যালয়ে থেকে নদীর গর্জন শুনেন তারা। বেড়ীবাধ ভেঙ্গে যাওয়ার আগে নদী ভাঙ্গন রোধ করা না গেলে পরে রোধ করা কঠিন হবে। তখন ভাঙ্গন  নিয়ন্ত্রন করতে  অনেক অর্থের প্রয়োজন হবে। এখন মাত্র এক কিলোমিটার জায়গায় জিও ব্যাগ পেলেও ভাঙ্গন রোধ করা যাবে। এই বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডে লোকজনকে একাধিকবার বলা হয়েছে। তারা এসে দেখেও গেছেন বলে জানান এই প্রধান শিক্ষক।


এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আলাউদ্দিন বলেন, চরবগুলা গ্রামের পশ্চিম পাশে ভাঙ্গন তীব্র। বর্ষার আগে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় লোকজন আবেদন করেছেন। এই বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কথা হয়েছে। দুএকদিনের মধ্যে এলাকাটি পরিদর্শনে যাবো আমরা।

হানিফ উদ্দিন সাকিব 
হাতিয়া নোয়াখালী প্রতিনিধি