কোন্দল ভুলে শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে মাঠে কর্মীরা আসন্ন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মেরুকরণ তুঙ্গে। বিশেষ করে কক্সবাজার-৪ আসনে দীর্ঘদিন ধরে চলা অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে উখিয়া-টেকনাফ বিএনপি। সাবেক সাংসদ শাহজাহান চৌধুরীকে বিজয়ী করতে সকল বিভেদ ভুলে এক মঞ্চে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় শীর্ষ নেতারা। কক্সবাজার-৪ আসন, যেখানে দীর্ঘদিনের দলীয় বিভেদ আর নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তবে ত্রয়োদশ নির্বাচনের ডামাডোল বাজতেই বদলে গেছে সেই চিত্র। জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সফল সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর নাম চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই সংগঠিত হচ্ছে তৃণমূল। দলের ত্যাগী কর্মীরা বলছেন, নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকলেও বড় দলের স্বার্থে এখন তারা ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ।এই ঐক্যের পালে নতুন হাওয়া লেগেছে টেকনাফের প্রভাবশালী নেতা ও সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া জিয়াউর রহমানের পক্ষ থেকে। মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর ভাই জিয়াউর রহমান সকল মান-অভিমান ভুলে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নিজের সর্বোচ্চ শ্রম ও ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।দল বড় হলে প্রতিযোগিতা থাকবেই, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার এই লড়াইয়ে আমরা আজ ঐক্যবদ্ধ। আমি আমার সর্বোচ্চ শ্রম, সময় এবং ত্যাগ দিয়ে মাঠে থাকব। ইনশাআল্লাহ, ধানের শীষকে বিপুল ভোটে জয়ী করে আমরা এই আসন দেশনেত্রীকে উপহার দেব।উখিয়া ও টেকনাফের সাধারণ ভোটারদের মতে, বিএনপির অভ্যন্তরীণ এই ঐক্য নির্বাচনের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। কোন্দল মিটে যাওয়ায় নেতা-কর্মীদের মাঝে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। বিশেষ করে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে মাদক ও নানাবিধ সমস্যার সমাধানে শাহজাহান চৌধুরীর অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে বড় ভরসা মনে করছেন তারা। এই আসনে তাদের শক্ত প্রতিদদ্ধি জামায়াত জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী ।তিনি গত ১ বছর মাটঘাট চষে গনসংযোগ চালিয়েছে। পিছিয়ে ছিল বিএনপিও তারা সকল কৌশল অবলম্বন করে প্রচার প্রচারনায় ছিলেন। এখন দেখার লক্ষি আসন ক্ষেত এই আসন কার হাতে যায়। বাংলাদেশ স্বাদীনের পর থেকে এই আসন যারা পাইছে তারাই ক্ষমতায় গেছে।
