বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর গাড়িবহরের মধ্যে ঢুকে তার চলন্ত গাড়িতে টেপ দিয়ে একটি সাদা খাম লাগিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও মোটরসাইকেলচালককে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হলেও তা পরিষ্কার না হওয়ায় মোটরসাইকেল ও আরোহীর পরিচয় নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তবে ফুটেজের ভিজুয়াল পরিষ্কার না থাকায় মোটরসাইকেল ও চালককে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
সাদা খামের ভেতরে কী ছিল এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, খামটি পুলিশের হাতে দেওয়া হয়নি এবং পুলিশ সেটি দেখেনি। তবে বিএনপি ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় নিয়োজিতদের কাছ থেকে জানানো হয়েছে, খামের ভেতরে কোনো চিরকুট বা চিঠি ছিল না। খামটি ফাঁকা ছিল এবং টেপ দিয়ে গাড়িতে লাগানো হয়েছিল। কী উদ্দেশ্যে এ ধরনের কাজ করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে তারেক রহমান তার কার্যালয় থেকে গাড়িতে করে বাসায় ফেরার সময় গুলশানের ৬৫ নম্বর সড়কে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় তারেক রহমান বুলেটপ্রুফ গাড়িতেই ছিলেন এবং সামনে-পেছনে তার নিজস্ব নিরাপত্তা দল মোতায়েন ছিল। এমন পরিস্থিতিতে মোটরসাইকেলচালক কীভাবে গাড়িবহরের মধ্যে প্রবেশ করল, সে বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
