শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

গাইবান্ধায় মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

গাইবান্ধায় মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

গাইবান্ধায় মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ


গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইসবপুর দ্বি-মূখী ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মুহা. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রায় দুই মাস প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার পর ১৮ জানুয়ারি একইদিনে ১৮ কার্যদিবসের স্বাক্ষর করেছেন।

 

স্থানীয়রা জানায়, সুপার রেজাউল করিম মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি গোপনে গঠন, শিক্ষকদের বেতন স্কেল বৃদ্ধির নামে টাকা গ্রহণ, জেনারেল ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ এবং একাধিক শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে জড়িত। এছাড়া তার ছেলে তানভীরুল ইসলামকে ২০২৫ সালে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে পাশ করানো হয়েছে এবং তাকে মাদরাসায় কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

অভিভাবক কুদ্দুস শেখ বলেন, সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করা এবং বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজনের পরও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টো, সুপার প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করেছেন। তিনি সুপারের অপসারণ দাবি করেন।

 

উপজেলা মাধ্যমিক অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার হারুন অর রশিদ বলেন, মাদরাসার নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি বিধিবর্হিভূতভাবে গঠন করা হয়েছে এবং অভিযোগের সঠিকতা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে।

গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, একইদিনে ১৮ কার্যদিবসের স্বাক্ষর দেওয়া সুপার কর্তৃক কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তার দুর্নীতির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।