শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর রুমে রহস্যজনক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম

গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর রুমে রহস্যজনক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম

গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর রুমে রহস্যজনক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম

পটুয়াখালীর গলাচিপা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রহস্যজনক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের স্টোর রুমে আগুনে পুড়ে গেছে সরকারি ওষুধ, গুরুত্বপূর্ণ খাতাপত্র ও বিভিন্ন সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি। এতে রোগীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক পাঁচটার দিকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত স্টোর রুমে রহস্যজনকভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

 

আগুনের ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তেই রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দেয়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রোগীদের হাসপাতাল কমপ্লেক্সের বাইরে পুকুর পাড় এলাকায় আশ্রয় নিতে দেখা যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে গলাচিপা ফায়ার স্টেশনের দুইটি ইউনিট এবং দশমিনা ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মকর্তা ডাক্তার মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, “সকাল পাঁচটার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। স্টোর রুমে গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার জন্য সংরক্ষিত সরকারি ওষুধ, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ও জরুরি রেজিস্ট্রারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল রাখা ছিল। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি।”

 

এ বিষয়ে গলাচিপা সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. কামাল হোসেন বলেন, “গলাচিপা ফায়ার স্টেশনের দুইটি এবং দশমিনা ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের সূত্রপাত এখনো জানা যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর আমরা তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছি।”

আগুনের ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর টহল টিম ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব জানতে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।#

 বার্তা প্রেরক 
 রাকিবুল হাসান 
গলাচিপা পটুয়াখালী