সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নুর কবর জিয়ারত করে নির্বাচনি প্রচারণায় নেমেছেন তার মেয়ে ও মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ–সাটুরিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে দলীয় ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় প্রয়াত নেতাদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে শুরু হয় তার নির্বাচনি যাত্রা।
বাবার কবর জিয়ারতের পর তিনি মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও চিফ হুইপ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি নিজামউদ্দিন খান এবং আব্দুল ওয়াহাব খানের মাজারে শ্রদ্ধা জানান ও দোয়া করেন।
কবর জিয়ারত শেষে আফরোজা খানম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মাইলফলক। গণতান্ত্রিক অনুশীলনের মধ্য দিয়েই একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে মাঠে নামা হবে এবং ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়া হবে। মানিকগঞ্জের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ধানের শীষের ভোটাররাই হারিয়ে যাওয়া ধানের শীষকে আবার ফিরিয়ে আনবে। ধানের কোনো বিকল্প নেই বলেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ঘোষিত রূপরেখার কথা উল্লেখ করে আফরোজা খানম বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। যেখানে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে, নারী ও কন্যাশিশু নিরাপত্তা ও সম্মানের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষাক্ষেত্রে সমান সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, জনগণ যদি আমাদের দায়িত্ব দেয়, তবে বিএনপির ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় তার সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ–সাটুরিয়া) আসনে মোট নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আফরোজা খানম, স্বতন্ত্র প্রার্থী সূর্যমুখী ফুল প্রতীকের মফিজুল ইসলাম খান কামাল, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের আবুল বাশার বাদশা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের মুহাম্মদ
সাইনূর, জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত বাইসাইকেল প্রতীকের মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের সামসুদ্দিন, বাংলাদেশ জাসদের মোটরগাড়ি প্রতীকের মো. সাজাহান আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের মো. আতাউর রহমান আতা এবং মোটরসাইকেল প্রতীকের রফিকুল ইসলাম খান।
