শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

১০ দলীয় জোটের গণজোয়ার দেখে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে : নাহিদ

১০ দলীয় জোটের গণজোয়ার দেখে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে : নাহিদ

১০ দলীয় জোটের গণজোয়ার দেখে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে : নাহিদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের গণজোয়ার দেখে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে। ফলে তারা জনগণের মাঝে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

 

আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ভাটারার বাঁশতলায় নির্বাচনি প্রচারণায় গণমিছিলের আগের সমাবেশে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আগামী নির্বাচনে চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করতে হবে। ঢাকা-১১ আসনে কোনো চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যুর স্থান হবে না। আমরা গণঅভ্যুত্থান করেছি এক ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়ে অন্য ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার জন্য নয়। ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার জন্যই এত এত মানুষ জীবন দিয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছেন, তারা যেন সেই স্বপ্ন ভুলেও না দেখেন। আমরা প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেব। বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে বাড়ি ফিরব। আমরা বন্দুকের গুলি খেয়েও পিছু হটিনি, কেন্দ্র থেকেও পিছু হটব না। 

 

 

১০ দলীয় জোট মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের এ প্রার্থী বলেন, ঢাকা-১১ আসন নানা সমস্যায় জর্জরিত। এই এলাকার ট্রাফিক সমস্যা, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু রয়েছে। আমরা সরকার গঠন করে এগুলো মুক্ত করব।

সারা দেশে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ তে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এনসিপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন। পরে রামপুরা অভিমুখে গণমিছিল শুরু হয়।