শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

চলচ্চিত্রে সাফল্যের ৩০ বছর রানী মুখার্জির।

চলচ্চিত্রে সাফল্যের ৩০ বছর রানী মুখার্জির।

চলচ্চিত্রে সাফল্যের ৩০ বছর রানী মুখার্জির।

সাফল্যের তিন দশক পেরিয়ে এলেন রানী মুখার্জি। ১৯৯৬ সালে বাংলা সিনেমা ‘বিয়ের ফুল’ ও বলিউডের ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ দিয়ে শোবিজে তাঁর পথচলা শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রানী হয়ে উঠেছেন তাঁর প্রজন্মের অন্যতম সম্মানিত ও প্রশংসিত অভিনেত্রী। রানীর সিনেমাজীবনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার যশরাজ ফিল্মস স্টুডিওতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

‘করণ অ্যান্ড রানী: থার্টি ইয়ারস অব ফিল্মস, ফ্রেন্ডশিপ অ্যান্ড মেমোরিজ’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক করণ জোহর। নিজের শৈশব, বেড়ে ওঠা, মা-বাবা, সন্তান, সিনেমায় পদার্পণ, চলচ্চিত্রের ঘটনাবহুল অধ্যায়—নানা বিষয় নিয়ে তিন ঘণ্টাব্যাপী খোলামেলা কথা বলেন রানী মুখার্জি।

 

রানী জানান, চলচ্চিত্র পরিবারে জন্ম হলেও তাঁদের সংসারে আর্থিক সচ্ছলতা ছিল না। বাবা রাম মুখার্জি পেশায় ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক। তবে রানী যে অভিনয়ে আসবেন, এমন পরিকল্পনা ছিল না কারও। প্রথম হিন্দি সিনেমা রাজা কি আয়েগি বারাতের প্রস্তাব আসে তাঁর বাবার বন্ধু প্রযোজক সেলিম আখতারের কাছ থেকে। মায়ের কথায় এ সিনেমায় অভিনয়ে রাজি হন রানী।

অনেক পরে বুঝেছেন, মায়ের এই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল আর্থিক বাস্তবতা। রানী বলেন, ‘তখন বুঝিনি, কিন্তু এখন মনে হয়, মা হয়তো আমাদের সংসারের আর্থিক পরিস্থিতি একটু ভালো করার রাস্তা খুঁজছিলেন। তাঁদের আশা ছিল, আমি যদি এই ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো করি, তাহলে সেটা আমাদের সবার জন্যই ভালো হবে।’

 

 

বক্স অফিসে রাজা কি আয়েগি বারাত সাফল্য না পেলেও পরবর্তী সিনেমা ‘গুলাম’ দিয়ে ব্যাপক পরিচিতি পান রানী। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতেই কণ্ঠস্বর নিয়ে প্রতিকূলতার মুখে পড়েছিলেন তিনি; যার ফলে প্রথম কয়েকটি সিনেমায় তাঁর দৃশ্যগুলো অন্য কাউকে দিয়ে ডাবিং করানো হয়। সেটা তাঁর জন্য ছিল কষ্টের অভিজ্ঞতা।

তবে সে পরিস্থিতি বদলে যায় করণ জোহর পরিচালিত ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর মাধ্যমে। করণ এতে রানীকে দিয়েই ডাবিং করান। আর তা দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাও পায়। এর পর থেকে কণ্ঠস্বর নিয়ে আর কখনো প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়নি রানীকে। এ কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘এ সিনেমায় আমি নিজের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছিলাম।’