বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। এর আগে দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলার ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জনতার মুখোমুখি’ ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ লাগে। এতে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। রেজাউল করিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
জামায়াতের শেরপুর-৩ আসনের এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। গুরুতর আহত রেজাউল করিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। যদি আমরা বিচার না পাই, তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
শেরপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁঞা বলেন, জামায়াত নেতার মৃত্যুর কথা শুনেছি। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
