শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল, লাঠিসোঁটা জড়ো করল? তদন্ত দাবি বিএনপির

একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল, লাঠিসোঁটা জড়ো করল? তদন্ত দাবি বিএনপির

একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল, লাঠিসোঁটা জড়ো করল? তদন্ত দাবি বিএনপির

শেরপুরে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জামায়াত ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে যে সংঘাত-সংঘর্ষ হয়েছে তা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। একইসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন কেন পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে পারল না।

মাহদী আমিন বলেন, ‘এই সংঘাত কি এড়ানো যেত কি না, নির্ধারিত সময়ের আগে একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখলো, সেই দলের লোকজন কেন সেখানে লাঠিসোঁটা জড়ো করল? সবার সম্মিলিত অনুরোধ উপেক্ষা করে সেই দলের প্রার্থী কেন সংঘাতের পথ বেছে নিলেন, এসব বিষয় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।’

গতকাল বুধবার শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে সব প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে প্রতিটি দলের জন্য আলাদা করে বসার জায়গা নির্ধারিত ছিল।

তবে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা সব চেয়ার দখল করে রাখেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের তাদের নির্ধারিত আসনে বসতে দেননি, আর প্রশাসন বারবার অনুরোধ করলেও তারা চেয়ার ছাড়েননি বলে অভিযোগ করেন মাহদী আমিন।