বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

শুরুর আগেই সুপার এইটের জন্য যে কঠিন সমীকরণের সামনে পাকিস্তান

শুরুর আগেই সুপার এইটের জন্য যে কঠিন সমীকরণের সামনে পাকিস্তান

শুরুর আগেই সুপার এইটের জন্য যে কঠিন সমীকরণের সামনে পাকিস্তান


পাকিস্তানের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ দিয়ে আজ মাঠে গড়াচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে এর আগে থেকেই কঠিন এক সমীকরণের সামনে পড়ে গেছে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। প্রথম ম্যাচের আগেই তাদের মগজে এখন খেলছে ‘কী করিলে কী হইবে’ – এমন সমীকরণ।

 

পাকিস্তানের এই সমীকরণের কারণ তাদের একটা সিদ্ধান্ত। ভারতের বিপক্ষে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচটা তারা খেলবে না, আগেই অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে পিসিবি। যার ফলে তাদের ম্যাচ সংখ্যা ৪ হলেও কার্যত তা নেমে এসেছে ৩-এ।

পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা না খেলার ঘোষণা দিয়েছে। পিসিবিও এই নির্দেশনার বাইরে যাবে না। যার ফলে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির ওই ম্যাচে ২ পয়েন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে তাদের। এখানেই শেষ নয়, তাদের নেট রান রেটও বিশাল এক ধাক্কা খাবে।

 

এরই কারণে পাকিস্তানকে পড়ে যেতে হচ্ছে বিশাল এক সমীকরণের সামনে। ভারতের বিপক্ষে না খেলা ম্যাচের নেট রান রেটের ধাক্কা সামলাতে হলে এখন প্রতিটি ম্যাচই জিততে হবে তাদের, তা জানা কথা। সঙ্গে এখন বড় ব্যবধানের জয় তুলে নেওয়াও অবশ্য কর্তব্যে পরিণত হয়েছে সালমান আলী আগার দলের জন্য।

 

সে সমীকরণ সামনে রেখেই আজ তারা নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে। এরপর তাদের সামনে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়া। তবে কাজটা সহজ হবে না তাদের। কারণ নেদারল্যান্ডস আর পাকিস্তানের ইতিহাস। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সহযোগী সদস্যদের পূর্ণ সদস্যকে হারিয়ে দেওয়ার নজির সবচেয়ে বেশি ঘটিয়েছে ডাচরাই। সবশেষ ২০২২ বিশ্বকাপে তাদের কাছে হেরেই শেষ চারের আশা শেষ হয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার।

 

ওদিকে পাকিস্তানেরও এমন সহযোগী সদস্য দলের কাছে হারের নজির আছে। সবশেষ বিশ্বকাপেই তো, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সুপার ওভারে হারের ফলে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয় পাকিস্তানকে। ফলে ভারত ম্যাচকে ‘না’ বলা পাকিস্তানকে কঠিন এক পথই পাড়ি দিতে হবে সুপার এইটে পা রাখতে হলে।

সঙ্গে পাকিস্তানকে চোখ রাখতে হবে আকাশের দিকেও। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের প্রস্তুতি ম্যাচটা ভেস্তে গেছে। মূল বিশ্বকাপেও এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি ঘটলে দলের কাজটা আরও কঠিন তো বটেই, অসম্ভবও হয়ে যেতে পারে।