মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল

সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল

সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ২০ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মামলাটির তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে সংস্থাটি প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়সালের আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

দুদকের জিআর শাখার কর্মকর্তা আক্কাস আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি দুদক। সার্বিক তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তদন্তকারী সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মে দিন নির্ধারণ করেছেন।

সাকিব আল হাসান ছাড়াও এই মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের ও তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান এবং আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধভাবে 'সিরিজ ট্রানজেকশন', প্রতারণামূলক 'অ্যাক্টিভ ট্রেডিং', গ্যাম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কারসাজি করেছেন। তারা নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করেছেন।

এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা হারিয়েছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ১৭ জুন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।