সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় বিশ্বকাপের পাঁচ দেশ

ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় বিশ্বকাপের পাঁচ দেশ

ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় বিশ্বকাপের পাঁচ দেশ

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি তিন মাসেরও কম সময়। কিন্তু এর মধ্যেই কূটনৈতিক টানাপোড়েন আছে তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নতুন করে কিছু দেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।


বিধিনিষেধ পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে একাধিক দেশ আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে। ফলে তাদের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের জন্য ভিসা পাওয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এএস স্পোর্টসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ২ এপ্রিল থেকে একটি নতুন তালিকা কার্যকর হবে। এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের বি১/বি২ ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে ৫,০০০ থেকে ১৫,০০০ ডলার পর্যন্ত জামানত (ভিসা বন্ড) জমা দিতে হবে। তালিকায় মোট ৫০টি দেশ রয়েছে, যার মধ্যে ৫টি দেশ আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে। ফলে এই নিয়ম নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে উদ্বেগ বাড়ছে।

এই বিধিনিষেধের আওতায় থাকা এবং বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো—আলজেরিয়া, কেপ ভার্দে, সেনেগাল, আইভরি কোস্ট ও তিউনিসিয়া। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাধ্যতামূলক ভিসা সাক্ষাৎকারের পর আবেদনকারীদের জন্য জামানতের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।


মার্কিন গণমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও ফিফার মধ্যে আলোচনা চলছে। লক্ষ্য হচ্ছে—এই পাঁচ দেশের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও অফিসিয়াল প্রতিনিধিদের জন্য ভিসা বন্ডের শর্ত কিছুটা শিথিল করা। তবে তাদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুবিধা দেওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই।

যদিও এই নতুন নীতি চালুর আগেই সেনেগাল ও আইভরি কোস্টের মতো দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বেশ কঠিন ছিল। সাধারণত বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া ভিসা দেওয়া হতো না। নতুন আর্থিক শর্ত যুক্ত হওয়ায় তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠোর হয়ে উঠতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে।