বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তিস্তায় ভয়াবহ ভাঙন, সুন্দরগঞ্জে নদীগর্ভে শতাধিক ঘরবাড়ি

তিস্তায় ভয়াবহ ভাঙন, সুন্দরগঞ্জে নদীগর্ভে শতাধিক ঘরবাড়ি

তিস্তায় ভয়াবহ ভাঙন, সুন্দরগঞ্জে নদীগর্ভে শতাধিক ঘরবাড়ি

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: শাহিন মিয়া

তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের সিংগীজানী ও ভোরের পাখি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাতের আকস্মিক ভাঙনে প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার এখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, হঠাৎ করে নদীর স্রোত ও ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পাননি। চোখের সামনে বসতভিটা নদীতে বিলীন হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা।
ভাঙনের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত জাহান তুলি। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
এদিকে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক। এ সময় কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহযোগিতা এবং গৃহহীন পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্থানীয়রা তিস্তার ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তাদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই আরও বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে।