নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পাঙ্গামটুকপুর ইউনিয়নের পাঙ্গাচৌপথী এলাকায় দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তার পরিবারের ওপর বর্বরোচিত হামলার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিবাদীপক্ষ দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা করে কয়েকটি পরিবারকে হয়রানি করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বাড়িতে পুরুষ সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে একদল সঙ্ঘবদ্ধ লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিবন্ধী মজিবুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এ সময় স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে মজিবুল ইসলামের স্ত্রী শাহানাজ বেগমকেও মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এছাড়া মজিবুল ইসলামের পুত্রবধূকে টেনেহিঁচড়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও জখম করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বজনরা জানিয়েছেন, আহত মজিবুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এমন অবস্থায় তার ওপর এই হামলা অমানবিক বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিরোধপূর্ণ এই জমি নিয়ে ইতিপূর্বে ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দায়ের করা হলে স্থানীয় চেয়ারম্যান বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। তবে বিবাদীপক্ষ সেই রায় অমান্য করে থানায় অভিযোগ এবং পরবর্তীতে আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা (মামলা নং ৬১৪/২০২৫) দায়ের করে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন থাকলেও
অভিযোগ উঠেছে যে, বিবাদীপক্ষ আদালতের ১৪৪/১৪৫ ধারা ভঙ্গ করে এই হামলা চালিয়েছে। ভুক্তভোগী মজিবুল ইসলাম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ নাগরিক হিসেবে নিজের এবং পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ আর বাদশা
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
